আবর্তে আবর্তন – প্রনব রুদ্র

টুপ করে শব্দ হতেই কিরণের সম্বিৎ ফিরে আসে। নিজের অজান্তেই কখন যে ভাবনায় ডুবে গিয়েছিল খেয়াল নেই নিজেরই। ঢিল ছুঁড়েছিল পুকুরের ঐ জলে সমস্ত ভাবনাকে মিশিয়ে দিয়ে।

সম্বিৎ ফিরতেই দেখতে পায় তানু আসছে। তানু মানে তানিমা চৌধুরী। একটু পরেই হয়তো চলে আসবে আকন্দ আর কুনান। চার বন্ধু মিলে প্রায় প্রতিদিনের মতো আজো পুকুরপাড়ের বয়স্ক এই বটগাছকে সাক্ষী রেখে নিজেদের সমস্যা, ভালো লাগার কথা হাসি তামাসার ছলে নিজেদের মাঝে বুনে নেবে।

প্রতিদিনের জল হাওয়াতে যুক্ত হবে আরো কিছু ঠাসবুনট সমস্যার কথোপকথন আর জীবনবন্ধনে মিশবে সাপলুডো খেলার নতুন নতুন চালের কলাকৌশল। তানু- এতো কি ভাবচ্ছেন ভাবুকবাবু?


কিরণ হেসে বলে – কিছু না রে। 
তানু- তাই! তোর কি মনে হয় বলতো? আমি তোকে একদমই বুঝি না! ভনিতা বাদ দে। সত্যি করে বল হয়েছেটা কী? অন্যমনস্ক লাগছে! 
কিরণ- নতুন কিছু না রে। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে অনেক কথাই ভাবছিলাম। আসলে কি ভাববো সেটাই ভাবছিলাম হে হে হে।
তানু- বাহঃ সো ফানি। তুই এড়িয়ে যাচ্ছিস কিরণ!


“শোন তবে কি ভাবছিলাম। কতবার নিজের কাছে হেরেছি, নিজেকে হারিয়েছি কতবার। কখনো পারিনি নিজের সাথে সমঝোতা করতে। আর হয়তো কখনো পারবোও না। তাই বলে বাঁচতে ইচ্ছে করে না এমনটা নয়। আবার মরতে বড়ো সাধ হয় কখনো কখনো। এই বাঁচা আর মরা নিয়ে বড়ো টানাপোড়নে চলছে আমার প্রতি মূহুর্তরা। ভালো মন্দ এই সময়ে দাঁড়িয়ে আর বুঝি না। তবে খুব কষ্টের মনে হয় এই জীবন। মাঝে মাঝে সব কিছু পাংশুটে হয়ে যায়। “


“দ্যাখ কিরণ, সমস্যা থাকবে। প্রত্যাঘাতও থাকবে। এর মধ্যে থেকেই পড়ে পাওয়া ষোলআনা কুড়িয়ে আনন্দ-সুখ চড়াই পাখির মতো ঠোঁটে ধরে খুঁটেখুঁটে বের করে  ঘর বেধেঁ জীবন সাজাতে হবে। তবেই না বাঁচার সার্থকতা। তুই যদি সব সময়ই বিষন্নতাকে ছুঁয়ে থাকিস তাহলে তো বিনা যুদ্ধে পরাজয় মেনে নেওয়া হলো রে!”


                কুনানের গলার আওয়াজে দুজনেই ঘুরে তাকায়। আকন্দের সাথে আবার কি নিয়ে তুমুল ঝগড়া করছে। কাছে আসতেই দুই বন্ধুর বিবাদের কারণ বোঝা গেলো। আকন্দ ওকে পিছনে বসিয়ে জোরে বাইক চালিয়েছে তাই। 
আাকন্দ ওদের উদ্দেশ্য করে বলে- দ্যাখ্ দ্যাখ্ বাবুসোনার চোখে জল এসেছে বিনা কারণে, বিনা কারণে…  মা যাবো, মা যাবো করছে হা হা।


কুনান- আকু একদম বাজে কথা বলবি না! রাগত সুরে আরো বলতে থাকে, এতো জোরে বাইক চালিয়ে আসলো! আমি যত মানা করছি ও ততো জোরে চালাতে থাকে। ভয় লাগে না। আমার কী মরার বয়স হয়েছে না কি? তোর হলে হতে পারে, আমার হয়নি। শুধু আমি কেন, আমাদের পরিবারে আমার মতো এতো কম বয়সে কেউ মরেনি।”


এবার তানু হেসে বলে – তাহলে তোকে একটা রের্কড করার সুযোগ আকু দিচ্ছিলো। তুই ভাই কাজে লাগাতে পারলি না!” কথা শেষ করে ছদ্ম মন খারাপের ভাব মুখে ফুটিয়ে আপসোসসূচক শব্দ করে।
এবার কিরণের পালা- ” দ্যাখ্ আমাদের দাদা কত রের্কড করেছে, ভেঙ্গেছে।  আর তুই এমনই গাধা! এতো সুন্দর একটা চান্স হাতে পেয়েও পায়ে ঠেলে হারালি!” একথা বলে মাথা নিচু করে কিরণ মুচকি মুচকি হাসতে থাকে।
কুনান অসহায় হয়ে বলে- তোরাও আকুর দলে ! 


আকু পাশ্ থেকে ভেংচি কেটে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হো হো করে  হাসতে থাকে। তানু কিরণও হাসির দমক আর চাপিয়ে  রাখতে না পেরে হেসে ওঠে। বন্ধুদের এমন হাসির ছোঁয়াচে সংক্রমণে কুনানের রাগ চলে যায়। ও বলে- ” ঠিক আছে তোদের দেখে নেবো।” তারপর সেও প্রাণ খোলা হাসি দেয় সবার সাথে।
              হাসির রোল থামতে প্রথম আকু বলে- তোরা কতক্ষণ?  ওর কথার উত্তরে তানু বলে- এই মিনিট দশেক হলে আমি আর আমার আগেই উনি এসে বসেছিলেন।


আকু- কিরে কিরণ যে টিউশনটা করতি সেটা কি ছেড়ে দিলি? এতো আগেই চলে এসছিস যে!
কিরণ- হ্যাঁ রে। ভালো লাগছিলো না। তাছাড়া লেখার সময়ও পাচ্ছিলাম না। বড্ড একঘেয়েমি চলে এসেছিলো। কটা দিন যাক, আবার নতুন একটা যোগার করে নেবক্ষণ।
কুনান- নতুন কি লিখলি? শোনা।


আর কি লিখবো। দু’চারটে কবিতা, ছোটগল্প লিখে বেকার থাকার জ্বালা ভুলতে চাই কিন্তু পারি আর কই!শুধু লিখেই তো আর কিছু হয় না বন্ধু। ভালো জায়গায় প্রকাশ না পেলে পয়সা মেলে না। সব ছোটখাটো পত্রিকার সম্পাদকগণ পয়সা দিতে তো পারেন না। আর কতদিন কাকু কাকিমার বোঝা হয়ে থাকবো? বাবা মা  সেই ভয়েই অনেক দূর পালিয়ে গেছে।


তানু- ঠিকই বলেছিস “বোঝা”! আমরা তো মধ্যমেধার মামা কাকাহীন মধ্যবিত্ত! দেশ দশের বোঝা। হাত আছে কাজ পাই না। মুখ আছে খাবার অপর্যাপ্ত। মাথা আছে কিছুই বুঝি না। এই বোঝাবুঝির চক্ররে বোঝা হয়েই থেকে গেল জীবনের শখ আহ্লাদ।


কুনান- শোন্ তাহলে। সেদিন একটা চাকরীর অ্যাপ্লাই করলাম। কম্পিউটার নলেজ লাগবে আর দু’বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার মিলবে। কম্পিউটারটা না হয় ঠিক আছে। অভিজ্ঞা কোথায় থেকে আনবো? মায়ের পেট থেকে নিয়ে জন্মাবো? পড়াশোনা শেষ করে তীর্থের কাকের মতো চাকরি খু্ঁজছি জুতোর শুকতলা ক্ষইয়ে। লাখলাখ বেকার যেখানে মরছে। কাজ না পেলে অভিজ্ঞা কি করে হবে? আর অভিজ্ঞতাওয়ালাই কাজ পাবে আর বেকারগুলো আঙুল চুষবে, চুষতেই থাকবে! এরপর হয়তো বলবে শ্লালা মরার অভিজ্ঞা লাগবে।


আকু পরিবেশ হালকা করতে আর কুনানের পেছনে লাগার সুযোগের সৎব্যবহার করতে হেসে বলে – “আমি  সেই অভিজ্ঞতাই তোকে আজই দিতে চাইছিলাম। তুই নিজেই তো সেধে আমাকে মানা করলি, কাঁদতে লাগলি।”
আকু আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলো। আবার ঝগড়া শুরু হবে দেখে কথার মোড় ঘুড়িয়ে তানু বলে- ” কি ব্যাপার আকু জোরে জোরে বাইক চালিয়েছিস কেন?”
আকু- আজ একটা বড়ো অর্ডার পেয়েছি। খবরটা দেবো বলেই তাড়াতাড়ি আসছিলাম।আমার আপন বলতে তো তোরাই তাই ভাবছিলাম তোদের সময় হলে একটা ট্রিট দেবো।


কিরণ- দিবি।  এতো তাড়া কিসের? আমরা পালিয়ে যাচ্ছি না।
কুনান- জম্পেস খাওয়াবি কিন্তু তবেই তোকে আজকের জন্য মাপ করবো।
আকু- ওকে বস্। ব’লে তানুর দিকে তাকিয়ে হেসে বলে- আপনার কোন অসুবিধা নেই তো ম্যম?
তানু-  না, নাহ্। কিসের অসুবিধা? দুইবেলার টিউশনি আর কোচিং সেন্টারের দিদিমুণি হয়ে ষোলবেলার সংসারের দায়িত্ব পালন করতে করতে একঘেঁয়ে হয়ে গেলো জীবন। ট্রিট পেলে মন্দ কি?”


কুনান এবার তানুকে ফোড়ন কাটে – দু’ চারটা প্রেম তো করতে পারিস! তোর জন্য কত পতঙ্গ আগুনে ঝাঁপ দিতে প্রস্তুত তুই ভাবতে পারবি না!
তানু- ইয়ার্কি করিস না। মরবার সময় নেই আর প্রেম!


         কুনান ভার মনে চুপ হয়ে যায়। এবার আকুও আর কিছু বলে না। ও বোঝে কুনান মনে মনে তানুকে পছন্দ করে। হয়তো ভালোও বাসে কিন্তু প্রকাশ করে না কিছু।  কে জানে, কোনমতে বাঁচার রসদ যোগাতেই যাদের হিমসিম তাদের আবার ভালোবাসার অধিকার শোভা পায় কি না।


 ” চলো এবার অপূর্ণ স্বপ্নগুলোকে কোলে নিই। আদর করি, একটু একটু করে ভালোবাসা দিই। আবার গড়ি নতুন কিছু। জানি হয়তো একদিন তা আবার বির্বণ হবে। ভাবছি এবার আরো বেশি ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে দেবো তোমার মন। জানি তা সময় সাপেক্ষ। প্রত্যাখ্যান আর বিরহ আছে বলেই তো পৃথিবী আজো সুন্দর।”- কিরণের কথায় স্তব্ধতা ভাঙে। 


           তানু কিরণকে ভালোবাসে কিন্তু বলেনি এখনো । ভয় হয়। ভাবুক কি বলবে। ওর পৃথিবীটা আলাদা। ভাবনা চিন্তাও আর পাঁচজনের মতো নয়।
তানু- আকাশে অনেক মেঘ। সব মেঘেই তো আর বৃষ্টি হয় না। সব আশা, স্বপ্নও সফল হয় না। তবে আশা আর স্বপ্ন খুঁজতে খুঁজতে একদিন সেই সবই মিলবে যা থেকে আকাশের বৃষ্টিও পৃথিবীকে চুমু খাবে প্রেমিকার মতো। সে দিনও তুমি নতুন স্বপ্ন দেখো। দু’হাত ভরে আশা রেখো। ভালোবেসো।


কুনান- বৃষ্টির ফোঁটাতে পৃথিবীর উত্তপ্ত বুক শান্ত হয় কি না, জানি না। তবে তোমার চোখের দিকে তাকালে খুঁজে পাই নীল সাগর। সাগরের বুকে তরীতে একা। আমার হাতে নেই কোন বৈঠা। চারদিকের অন্ধকার গ্রাস করে আছে আমাকে। আমি বুঝতে পারি অন্ধকারেরও একটা সৌন্দর্য আছে। আছে সেখানেও জীবন।


আকু- ভালো নেই। এই অসময়ের মানুষ আমি। বুকে বিষাদের সুস্পষ্ট অবস্থান। প্রতি পলকেই পাই তার স্বাদ। বিরহী ইচ্ছেরা করে ফেরারী মানুষ। বুকে ডানা ভাঙা স্বপ্ন। চৈত্রের রোদের দংশনের ছোঁয়ায় মনের চৌচির প্রান্তর। বিষাদ যাও। তুমি আর খেলা করো না আমার অঙ্কুরিত ইচ্ছেগুলো নিয়ে। যদি বৃষ্টি হতে পারি কখনো তবে একবার তোমায় ছুঁয়ে দেখতাম। এখন তুমি যাও।


কিরণ বলে – ” কি ব্যাপারে রে! তোরা সবাই মিলে এতো সুন্দর কাব্যরস দিচ্ছিস। আমার ভাত মারবি নাকি? কি পরিকল্পনা তোদের? ” বলা শেষ করে মুখচাপা হাসি দিতে থাকে।
কুনান বলে- বইয়ের দোকানে সেলসম্যানের কাজ করতে করতে দু’চারটে বই পড়েছি। ওখান থেকেই টুকলি করে বললাম। তোর মতো আর ভাবতে পারি কই?
কুনানের কথায় তানু আর আকুও সম্মতিসুচক মাথা নাড়ায়।

কিরণ হেসে বলে- আর আমার মতো! যাযাবর শালিকই তো রইলাম। পারলাম না কোন বসন্তের আগমন জানাতে পাখির মতো মিষ্টি ডেকে। থাকলাম শুধু অপরের বাসার লোভে কোকিলেরই মতো। চোখের লোনা জলে ধুয়ে দিতে পারিনি হৃদয়ের নানা ক্ষত। 
তানু- কি হয়েছে রে তোর? বড় উদাস লাগছে। মনে হচ্ছে এসব তোরই নিজের কথা। শুধু কাব্য চর্চা নয়। কিছু তো বল?


” আর কি হবে রে! কিছু হয়নি। তোরা খালি অন্যরকম ভাবিস।”
আকু- কতবার তোদের বলেছি যদি আমি কোন কাজে আসতে পারি তো বলিস কিন্তু কে শোনে কার কথা!  আমার সাহায্য তো নিবি না। আমাকে বড়োলোকের ছেলে বলে দূরেই সরিয়ে রাখলি!


কিরণ আকুকে শান্ত করতে তাড়াতাড়ি বলে- ” কে বললো তোর সাহায্য নেব না? তুইই তো আমাদের শেষ ভরসা। তেমনভাবে কিচ্ছু যদি নাই করতে পারি তবে তুই তো থাকলিই। শেষ পর্যন্ত তোর কাছেই যাবো।”


কুনান- আসলে কি জানিস, আমরা যারা মধ্যবিত্ত তাদের বড়ো আত্ম-সন্মানবোধ! না পারি রিক্সা, লাঙ্গল চালাতে আর না পারি কোন কাজ করতে। শুধু আত্ম অহংবোধেই মরলাম আমরা। বলে একটু হাসার চেষ্টা করে।
তানু দেখে আলোচনাটা ভারী হয়ে যাচ্ছে। হালকা করতে সে বলে ওঠে- আমার বেকার আছি, বেএএএশ আছি। বিষাদকে নিয়ে মিলেমিশে চমৎকার চলে যাচ্ছে। কারো তো ক্ষতি করছি না শুধু নিজেদের ছাড়া। 


কিরণ সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলে-  দ্যাখ, বেকার আমাদের দরকার নেই। তা থেকে বাড়ে বিকার আর বিকার থেকে অপকার। কিন্তু ভাই, মার্সিডিসকার আমার খুব দরকার।
             কিরণের এমন হাসিমাখা মুখের কথা শুনে সব বন্ধুরা মিলে হাসতে থাকে। ওরা জানে আর বুঝেও গেছে ভালো করে, বাঁচতে হলে সংগ্রাম করতে হয়। কখনো নিজের সাথে, কখনো বা অপরের সাথে। 


          সূর্য দেবতা বাড়ী ফিরছেন। দু’ চারটে পাখিরদলও ঘরে ফিরছে। আকাশের বাঁকা পোড়া চাঁদ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে সুখ দুঃখের হাসি হাসছে। এর মধ্যেই দিন গড়িয়ে রাত হচ্ছে, ফুল ফুটছে, ঝড়ে যাচ্ছে। এবং সমস্যা জর্জরিত মানুষ জীবনের আনকাট রঙ্গমঞ্চে সুখে থাকার প্রতিনিয়তই অভিনয় করে যাচ্ছে। হয়তো বা প্রকৃত অর্থে কেউই সুখী নয়। হাতের তালুতে জল রেখে চেপে ধরার চেষ্টা করছে মাত্র।


           হাসি থামিয়ে কিরণ আবার বলতে শুরু করেছে- জানিস পৃথিবীর সব মানুষের আজ অসুখ। ছুটে চলা আর আরো চাই আরো চাই অসুখ কিন্তু কারোর হয়নি সুখের অসুখ। বড়ো মানুষগুলো তো এদিক ওদিক করে ঠিকই পার হয় অথচ নীচু মানুষগুলো যারা সমাজের চলন প্রক্রিয়া চালু রাখতে গিয়ে নিজেদের উজার করার বিনিময়ে শুন্য হয় তাদের বেশিরভাগের জীবনেই অপূর্ণতা জুটে। দারিদ্রতা সাথী হলে কবি সুকান্তের বিখ্যাত লাইন থেকে নিজের মতো বলিঅভুক্ত পেটে গোটা দুনিয়া বিষেভরাজ্যোৎস্নার চাঁদ কুৎসিত রুপে গড়া।
            তানু দেখছে কিরণ এক অন্যরকম ঘোর সৃষ্টি করেছে। সে এখন অন্য কিরণ দিচ্ছে। আবার বলতে শুরু করেছে।


          তারপর একদিন চলে যাবো চির অজানার দেশে। একমাত্র অনিশ্চয়তাকে সঙ্গী করে। জেনে যাবো সব কিছুই বড়ো দেরি আসে বড়ো দেরিতে সে ধরা দেয়। আবার হারিয়ে যায় সে হঠাৎ করেই। শুধু কষ্টটাই থেকে যায়। আসলে কষ্টটা এভাবেই ছিলো আর থাকে। তারপরেও চলতে হয়। কেননা কষ্টই সব নয়। সামনে যেতে হয়। যেতেই হয়। আমরাও চলেছি… একদিন সব না পেলেও কিছু পাবো। পাবোই।


          এভাবেই তারা নিজেদের প্রবোধ দেয়। সমস্যাকে হাসিতে ওড়ায়। সাময়িক হতাশা কাটিয়ে এগিয়ে যায় নতুন কোন ভোরের দিকে। আলোর দিকে।


©® _প্রনব রুদ্র🇮🇳  (এ নামেই করি লেখালিখি)
  (প্রনব বানানটা এমনই লিখি) 

পত্রাদি – rudrakundu88@gmail.comডাক যোগাযোগ : PRANAB KUMAR KUNDU ( RUDRA) S/O – PRATYUSH KUMAR KUNDUSONAR TORIVILL – VIVEKANANDA PALLY ( PAUL MAATH )PO+PS – GAZOLEDIST – MALDA-732124।WB

Landing Page: https://track.fiverr.com/visit/?bta=112337&nci=5497
ফেসবুক মন্তব্য

Published by Story And Article

Word Finder

Leave a Reply

%d bloggers like this: