মধুকর এসে বসবে মধু সিঞ্চনে

shrutisahitya.com


To Autumn      BY JOHN KEATS কবিতার ভাবানুসারেহে শরত তোমার গান তুমি গাও      — রণেশ রায়


ও বন্ধু শরত, তুমি মায়াবী সুন্দরীপ্রকৃতির  মরসুমী বৈচিত্রেঅঙ্গে অঙ্গে ভরা যুবতী রমণী,ফুল ফলে শোভিত তুমি,উদয় কালে তুমি সূর্যের সঙ্গিনী,নিরালায় একান্ত গোপনে দুজনে আলাপে,এ সাঁঝ বেলায় ভাবনা তোমাদেরকেমনে সাজাবে দুহিতাকে ফলে ফুলেলতানো বৃক্ষরাশি লতায় পাতায়সেজে উঠবে তোমার সাজঘরে,সহাস্য নত মুখ তারযেন বিনম্র কিশোরী নব বধূ সাজেকানায় কানায় ভরা মধু রসে,মধুকর এসে বসবে মধু সিঞ্চনেমধুর ভান্ডার পূর্ণ হবে মধু সঞ্চয়ে।তোমাদের আশীষে গর্ভবতী মৃত্তিকা,শস্য ভান্ডার উপচে পরে ফসলে ফসলে,তুমি সুন্দরী মহিয়সী সেথায়,কখনও তোমাকে দেখা যায় বাহির দ্বারেবসে থাকো নির্বিকার,সবুজে সবুজে ঢাকা তৃণ ভূমি পরে,এলোকেশী তুমি সুন্দরীকেশ তোমার ঝোড়ো বাতাসে ওড়েঅথবা তুমি গভীর ঘুমে আধ চষা ক্ষেতে,হতেও পারে তুমি আচ্ছন্ন আফিমের ঘোরে।                                                 তোমারে দেখি না বসন্ত সঙ্গীতেভুলে থাক সে সংগীত আজ,বসন্ত সঙ্গীত আসে না  তোমার সুরেচেনে না তোমায় এ দুখের অঙ্গনে।তোমার নিজের সংগীত  তুমি গাওতোমার আহবান ভেসে আসে সংগীতে,গোধূলি বেলায় অবসন্ন মেঘ জ্বলে ওঠেরক্তিম আকাশ অস্তমিত সূর্যের সোহাগেদিগন্তে ডানা মেলে এসে এ ধরণীতে,এ বিদায় বেলায় বিষাদের গান গাওবেজে উঠুক তোমার জীবন সঙ্গীতে।





অনুবাদ নয় ভাবান্তরTo Autumn  //  BY JOHN KEATS

  Close bosom-friend of the maturing sun;

Conspiring with him how to load and bless  With fruit the vines that round the thatch-eves run;To bend with apples the moss’d cottage-trees,  And fill all fruit with ripeness to the core;     To swell the gourd, and plump the hazel shells  With a sweet kernel; to set budding more,And still more, later flowers for the bees,Until they think warm days will never cease,     For summer has o’er-brimm’d their clammy cells.Who hath not seen thee oft amid thy store?  Sometimes whoever seeks abroad may findThee sitting careless on a granary floor,  Thy hair soft-lifted by the winnowing wind;Or on a half-reap’d furrow sound asleep,  Drows’d with the fume of poppies, while thy hook     Spares the next swath and all its twined flowers:And sometimes like a gleaner thou dost keep  Steady thy laden head across a brook;  Or by a cyder-press, with patient look,     Thou watchest the last oozings hours by hours.Where are the songs of spring? Ay, Where are they?  Think not of them, thou hast thy music too,—While barred clouds bloom the soft-dying day,  And touch the stubble-plains with rosy hue;Then in a wailful choir the small gnats mourn  Among the river sallows, borne aloft     Or sinking as the light wind lives or dies;And full-grown lambs loud bleat from hilly bourn;  Hedge-crickets sing; and now with treble soft  The red-breast whistles from a garden-croft;     And gathering swallows twitter in the skies..

.



.লুনি নদী আমি  //   সুখেনচন্দ্র বাড়ই


“দীপ্তির আলোকে  //     রাজীব লোচন বালাSeason of mists and mellow fruitfulness, 

লুনি নদী আমি আসবে কবে তুমি বসবে আমার হৃদয়ে 

প্রেমস্রোতে ভাসাবো তোমায় ভাসবো তোমার ভালোবাসায়।

দিবানিশী গুনছি আমি তোমার আসবার আশায়,

জলহীন ধু-ধু মরু মাঝে  আমি আছি তৃষ্ণার্ত হৃদয় নিয়ে।

সঙ্গিহীন হয়ে আমি বড় দুঃখি যে

এসেছিলে শ্রাবণে চলে গেলে ফাল্গুনে,

জ্বলে-পুড়ে যাচ্ছি আমি ভালোবাসার আগুনে।

মরু মাঝে ছিলাম ভালো তক্ত হৃদয়ে

খানিক সময়ের জন্য তুমি কেন বয়ে গেলে ?

লুনির মাঝে সুপ্ত প্রেম  উঠেছিল জেগে।

ভালোবাসার ঘন্টার ধ্বনি উঠেছিল বেঁজে

সকল কিছু অমনি গেল রয়ে,

 সকল ব্যাথা রয়েছি সয়ে তোমার দিকে চেয়ে_

আসবে তুমি একই ভাবে যেমনি এসেছিলে।

দীপ্তির আলোকে আলোকিত হোক হৃদয় যত

বৈরীতা সব ভুলে গিয়ে মানবিক কর্মে হও রত।

দীনজনের পাশে এসে আলোকদীপ্ত করি সকলে

ভালোবাসার অনুরাগে বাঁধি জাত-পাত ভুলে।

এই জীবন মোদের আসর এক শুধু দেওয়া নেওয়ার

আলোকবর্তিকা নিয়ে চলো হাটাও অন্ধকার।

দিবানিশি আলোর বিস্তারে সত্যের পথে এসো হাঁটি

দীপ্তির আলোকে মানুষের জন্যে , সকলের পাশে থাকি।

একাত্মতা বোধে শিশুদের মতোন অনুসন্ধিৎসু মনে

সকল কিছু সুচারুরুপে জানবার প্রবল ইচ্ছা রাখি, 

যা কিছু ভালো জীবের কল্যাণে তুলে রাখি প্রাঙ্গণে

সকলের সাথে মিলে মিশে যত আঁধার আসো রুখি।

“মা” বড়ই মধুর ডাক, দ্যুতিময় এ জগৎ সংসারে

আলোরই অবিরাম ধারা চলে এ হৃদয় মাঝারে।

নববর্ষের নব আনন্দে উঠুক জেগে হৃদয় মোদের

মনের ভূলেও ভুলি না যেন “মা”এর কথা ভীষণ কাজের।

আলো-অন্ধকার বোধয় চলে একই সাথে এ ধরায়

দীপ্তির আলোকে সকল আঁধার আমাবস্যা ঘুচায়।

মনের ঘরে যেমন থাকে না কোনো শিকল বেড়া, 

আলোর মাঝে হৃদয় গেঁথে সত্যের গানে হই পাগলপারা।

 এ বছর গেল চলে কাজ মোদের আরও গেল বেড়ে

মাতা-পিতা , গুরুজনদের আর্শীবাদ ভরি হৃদয় জুড়ে।

অভূতপূর্ব এই শক্তির বলে করতে হবে, হবেই বিশ্ব জয়_

সকলের আলোর দীপ্তিময় ধারায় আসুন রুখি সমাজের অবক্ষয়।

মন করে একাত্ম মানুষ না ভেদে হই আলাপী

হৃদয়ে জুড়ে প্রেম-প্রীতির পাখি পবিত্রতায় হোক অনুসন্ধানী

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *