শুধু একটি নাম…নিরুপমা : পৃথা সিনহা দাস

কাল রাতে হঠাৎ স্বপ্নে এসে হাজির আমার বিয়ের লাল বেনারসি। তার অনেক অভিযোগ… আমি তাকে ভালোবাসি না, অন্য শাড়ি দের সাথে আমার ভাব আর তার বেলায় কেবল আড়ি। শুনে আমি খুব হাসলাম একচোট… কতদিন পর। বললাম তাকে.. ” ওরে পাগলী, তুই তো আমার নব জন্মের, শুভ লগ্নের সই।


বিবাহ বাসরে সেই লাজুক আমি, চন্দন চর্চিত, রজনীগন্ধার মালায় সুসজ্জিত, রাঙা সীমন্তে সীমন্তিনী, যেন রাজেন্দ্রানী। তোকে আঁকড়ে রেখেছিলাম নির্ভরতায়,যত্নে, মমতায়।


সে বললে.. ” তাহলে এখন কেন বন্দী আমি আলমারির এক কোণে? আমার সারা গায়ে পোকায় কাটা দাগ, কত দিন বাইরের আলো বাতাস লাগেনি শরীরে। গায়ে তোলোনি কতদিন আমায়। বাসর রাতে যে দিন নবপরিনীতা তোমাকে ,আচমকা ছুঁয়ে দিয়েছিল তোমার পুরুষ… শিহরিত, রোমাঞ্চিত তুমি… সাথে আমিও।

কই? এখন তো আর রোমাঞ্চ জাগে না শরীরে।নির্বাসিত আমি কেবলই তোমার অপেক্ষায় থাকি…আলমারির এই শীতল অন্ধকারে আমার দম বন্ধ লাগে… মুক্তি দাও আমায়, মুক্তি দাও.. “

ঘুমটা ভেঙে গেল। “উফ্”… শরীরটা নাড়াতেই ব্যাথায় কোঁকিয়ে উঠল নিরু…নিরুপমা। দেওয়াল ঘড়ি জানান দিচ্ছে ভোর হতে আরও কিছুটা সময় বাকি।
কাল রাতে অনিকেত একটু বেশি মাত্রায় জান্তব হয়ে উঠেছিল। অনিকেতের হাতে মার খাওয়া,
নিরুর রোজকার ব্যাপার। গতকাল রাতের অত্যাচার একটু মাত্রা ছাড়া হয়েছিল। ” মুক্তি দাও, মুক্তি দাও ” বলে কাঁদতে কাঁদতে কখন মেঝেতে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল তার নিজেরই খেয়াল নেই। চোখে এখনও শুকনো জলের ধারা, ঠোঁটের কষে রক্তের নোনা স্বাদ।

হঠাৎ গত রাতের স্বপ্নের কথা মনে পড়ে গেল নিরুর। শারীরিক, মানষিক যন্ত্রনা নিয়ে উঠে দাঁড়ালো, ধীর পায়ে পৌঁছলো ঘরের কোণে রাখা আলমারির সামনে, নীচের তাকে বেশ কয়েকটা শাড়ির নীচে চাপা পড়ে থাকা, তোয়ালে দিয়ে মোড়ানো বিয়ের লাল বেনারসি কে বার করে আনল যত্নে। অভিমানীনির গোঁসা
ভাঙাতে হবে যে।

পরম মমতায় তার গায়ে হাত বোলাতে বোলাতে নিরু ফিসফিস
করে বলল.. ” তোর আমার সখ্যতা যে আমরণের।আমাদের জীবন কথা যেন এক সূত্রে গাঁথা।

তোর গায়ে পোকায় কাটা দাগ…আমার গায়ে সিগারেটের ছ্যাঁকার দাগ, কালশিটের আলপনা… যে শীতলতা তোর শরীরে, সেই শীতলতা আমার শরীরে, মনে… আমাকে ছুঁলেও অনিকেতের শরীরে আজ আর আগুন জ্বলে না.. সেই আগুনের উত্তাপহীনতায় আমিও শীতল…আমার আশা, আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছেরাও আজ শীত ঘুমে আচ্ছন্ন। আলমারির শীতল অন্ধকারে যে দম চাপা কষ্টের জীবনে তুই আবদ্ধ, নির্বাসিত…. চার দেওয়ালের আপাত সাজানো সংসারে আমিও বন্দী, নির্বাসিত।

তোকে তোয়ালে মুড়ে যত্নে রাখা সত্ত্বেও তোর গায়ে পোকায় কাটা দাগ… যত্নে, সোহাগে আগলে তো রেখেছিলাম দাম্পত্যকেও… তাও.. সম্পর্কের গায়ে আজ ভাঙনের আঁচড়।

অনিকেত আজ নতুন পথের পথিক। ঠিকানা বদলের জন্য উদগ্রীব। আমার মন্দবাসা ছেড়ে ভালোবাসার আশ্রয়ে নতুন গল্প লিখতে চায়। অনেক দিন আগেই সে চৌকাঠ পেড়িয়ে গেছে… আমি দাঁড়িয়ে আছি চৌকাঠের এ পাড়ে, তার চলে যাওয়া দেখেছি আর অপেক্ষা করেছি.. যদি সে একবারের জন্য পেছন পানে চায়… বৃথা আশা মরিয়াও যে মরে না। “

“চল দুজনায় মিলেমিশে
যাত্রা করি অচিন দেশে
থাকবো সেথায় হেসে খেলে
এই জীবনের দুঃখ ভুলে
মুক্তি পথের পথিক হয়ে
আয় দুটি তে যাই হারিয়ে”।

মনে মনে লাইন গুলি আওড়াতে আওড়াতে নিরু তার বিয়ের লাল বেনারসি টির পাট ভাঙতে লাগল… হঠাৎ…. তার পায়ের কাছে শাড়ির ভাঁজের ভেতর থেকে পড়ল একটি লাল রঙের খাতা ।
চমকে উঠল নিরু। সেই লাল খাতা…কারুকাজ করা…. বাবার দেওয়া। দোকানে গিয়ে পছন্দ করে কিনেছিল সে।
লাল রঙ যে তার বড় প্রিয়, বয়ঃসন্ধি তে শরীরে লালের আগমন কাল থেকে সে লালের প্রেমে পড়েছিল। সেই সব দিনে..শরীরে মনে এক অদ্ভুত আবেশ, কারণে অকারণে লাজুক নিরু, একাধিক বার আরশিতে নিজের সাথে নিজের চোখাচোখি… লাল রঙ কেবল বিপদের সঙ্কেত বাহক নয়… সে যে ভবিষ্যতের ধারক, বাহক তাও জেনেছিল সে।

বিয়ের বেনারসিতেও ছিল সেই ভালোবাসার রঙ। সিঁদুরের লাল ,জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটালো। লাল রক্ত পিন্ড নারীত্বকে পূর্ণতা প্রদান করল।সেই ভালোবাসার, সেই প্রিয় রঙের খাতা আজ এতদিন পর নিরুর সামনে উপস্থিত হল। যাকে নিরু লুকিয়ে রেখেছিল দৃষ্টির অন্তরালে

ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি নিরুর ঝোঁক ছিল। সাহিত্য চর্চা ছিল তার ভালোবাসা,তার ভালো লাগা।সুযোগ পেলেই পাতার পর পাতা বোঝাই করতো কবিতা লিখে,গল্প লিখে।

অনিকেতের সাথে বিয়ের পরও নিরু তার ভালোবাসা কে নিজের সাথে জড়িয়ে রেখেছিল। উৎসাহী শ্রোতা হিসেবে পেয়েছিল নিজের মানুষটাকে।

” তোমার সব লেখা আমি ছাপাবো। লেখিকা নিরুপমা রায়ের নাম পাঠক মহলে পরিচিতি লাভ করবে একদিন দেখে নিও” । অনিকেতের কথায় নিরুর চোখে ও স্বপ্নের ঘোর লাগতো, খাতা ভরে উঠতো নতুন নতুন সৃষ্টি তে।

ক্রমে ক্রমে অনিকেতের উৎসাহে ভাঁটা পড়ল, আগ্রহী শ্রোতার থেকে সে রূঢ় সমালোচক হয়ে উঠলো। অনিকেতের যে কথা নিরুর চোখে স্বপ্নের আলো জ্বালতো , তা পরিনত হল ভর্ৎসনায়, বিরক্তিতে….তবুও নিরু জিইয়ে রেখেছিল তার ভালোবাসা,তার লেখা লেখি। অনিকেত যেন কেমন দূরে চলে যাচ্ছিল, একটু যেন ছাড়া ছাড়া।

বিয়ের দু বছরের মাথায় নিরুর কোল জুড়ে আসল ফুটফুটে এক রাজপুত্র। নিরুর টলমল দাম্পত্যজীবনে সে যেন এক বুক আশা, দোদুল্যমান সময় কে আপন জাদুতে দৃঢ় পায়ে এগিয়ে যাওয়ার সাহস যোগালো।ছেলে, সংসার সামলে নিরু সুযোগ পেলেই তার ভালোবাসা, তার ভালোলাগার সাথে দু দন্ড সময় কাটিয়ে যায়। বাবার দেওয়া লাল খাতার পাতায় তার অন্তঃপুরের সকল রঙিন, বে রঙিন স্বপ্নদের সাজিয়ে রাখে পরম যত্নে।

একদিন দুপুর বেলা , ছেলে কে ঘুম পাড়িয়ে নিরু খাতা খুলে বসেছিল। একটা কবিতা লিখবে ভাবলো। চারটে লাইন লেখার পর পঞ্চম লাইন টিকে সে কিছুতেই কব্জা করতে পারছিল না। অবশেষে… “পেয়েছি ” বলে নিরু একটু জোড়ে চেঁচিয়ে ওঠে। মনের
আনন্দে খুঁজে পাওয়া লাইন টিকে খাতায় লেখার পর তার খেয়াল হল তার এই উল্লাস ধ্বনি তে ছেলের ঘুম ভেঙে যায়নি তো? তাড়াতাড়ি সে ছুটলো শোয়ার ঘরে ছেলেকে দেখতে।

বিছানা ফাঁকা, খাট থেকে পড়ে যাবে বলে মেঝেতে ই বিছানা পেতে ছেলের শোওয়ার ব্যাবস্থা করেছিল সে । এ ঘর, সে ঘর খুঁজতে লাগল সদ্য হামা দিতে শেখা ছেলেকে। হঠাৎ তার নজর পড়ল, একতলায় নামার সিড়ির দরজা খোলা, লাগাতে ভুলে গেছিল সে কোনো ভাবে। পাগলের মত নিরু ছুটে গেল খোলা দরজার দিকে। সিড়ির মাথায় দাঁড়িয়ে দেখলো তার প্রিয় রঙে মাখামাখি হয়ে সিড়ির শেষ ধাপে শুয়ে আছে তার আত্মজ।

সন্তান হারা মায়ের আর্তনাদে বিদাড়িত হয়েছিল আকাশ বাতাস। পাড়া প্রতিবেশি, আত্মীয় স্বজনদের কটূক্তির মাঝে চাপা পড়ে গেছিল নিরুর হাহাকার। তার কান্না কারও নজরে আসেনি, কোনো মা যে স্ব ইচ্ছায় তার সন্তান কে মৃত্যু মুখে ঠেলে দিতে পারে না সেটা কেউ উপলব্ধি করতে পারল না। নিরুর অন্তরের অনুশোচনার যে আগুন জ্বলছিল, তার আঁচ কাউকে স্পর্শই করল না। প্রতি নিয়ত তার মনের ঘরে আঘাত হানছিল কয়েকটি শব্দ… “কেন? কেন এত বিভর হয়ে রইলাম নিজের এক সৃষ্টি নিয়ে..অন্য সৃষ্টিকে ভুলে? “

সবার বাক্য বাণ নিরু সহ্য করছিল মুখ বুজে। কিন্তু…. শিক্ষিত, রুচি বান, নিজের সন্তানের জনক, নিজের পুরুষের মুখ থেকে যখন শুনল.. ” সন্তান খাগী,রাক্ষুসী, লেখিকা মা**, ছেলেকে মেরে তার রক্ত দিয়ে এবার গপ্প লেখ।”
অনিকেত লাল খাতাটি ছুঁড়ে ফেলল কিছুক্ষণ আগে যেখানে পড়ে ছিল ছেলের রক্তাক্ত নিথর দেহ সেখানে। লাল খাতার শরীরে যুক্ত হল আরও লাল, নিরুর প্রিয় লালের সাথে মিশল নিজ রক্তের লাল…স্তম্ভিত নিরু, আহত নিরু, অপমানিত নিরু বাকরুদ্ধ হয়ে রইল। ধীরে ধীরে সন্তানের লালে মাখামাখি খাতাটি তুলে নিয়ে পরম মমতায় লাল বেনারসির গর্ভে স্থাপন করল।

আজ এত দিন পর নিজের পুরনো ভালোবাসাকে, ভুলে যাওয়া ভালোলাগা কে ফিরে পেয়ে নিরু বিহ্বল, নিরু চঞ্চল, তাকে বুকের মাঝে আঁকড়ে ধরার জন্য পাগল…. এই লালের সাথে মিশে আছে নিজ সন্তানের লাল। এতদিন পর মায়ের বুকে যেন ফিরে আসল তার সন্তান, তার ভালোবাসা, তার মনবল…. চোখ মুছল নিরু, খাতার শেষ পাতাটি ছিঁড়ে লিখতে বসল।

কলিংবেলের শব্দে অনিকেতের ঘুম ভাঙল। শুয়ে শুয়ে কিছুক্ষণ শুনল,কলিংবেল বেজেই যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে বিছানা ছাড়ল। দরজা খুলে দুধের প্যাকেট নিয়ে ভিতরে আসতে আসতে ভাবলো… মহারাণী গেল কোথায়? কালকের ডোজ টা একটু বেশি ই হয়ে গেছে। বেশ হয়েছে…মুক্তি দাও, মুক্তি দাও বলে নাটক আজ বার করবো। ডিভোর্সের পেপারে আজ সাইন করিয়েই ছাড়বো। যাওয়ার কোনো যায়গা নেই, কোথায় যাব? এ সব অজুহাত আর শুনবো না।

ডাইনিং টেবিলে দুধের প্যাকেট রাখতে গিয়ে অনিকেত দেখলো জলের বোতল দিয়ে চাপা দেওয়া একটা চিঠি। সাথে নিরুর
সই করা ডিভোর্স পেপার। চিঠি টা পড়তে শুরু করল অনিকেত… নিরুর লেখা…


” নিজের মুক্তির পথ নিজেই খুঁজতে চললাম। আমাকে মুক্তি দেওয়ার সাধ্য তোমার নেই, যে পুরুষ স্ত্রীর ওপর নিজের শারীরিক ক্ষমতা প্রদর্শন করে, নিজের নারী কে ছেড়ে পর নারীর প্রতি আসক্ত হয়, নিজ সন্তানের জননীর মাতৃত্ব হারানোর হাহাকার শুনতে পায় না, সে নিজেই এক মিথ্যে পৌরষত্বের বেড়াজালে আবদ্ধ। তোমাকেই আমি মুক্তি দিয়ে গেলাম একটা পেনের আঁচড়ে। মিথ্যে আশা নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম তোমার ফেরার। আজ নিজ হাতে বন্ধ করলাম মনের দরজা।


লাল বেনারসি গলায় পেঁচিয়ে আত্মহননের পথে যাত্রা করব ভেবেছিলাম। কিন্তু , বাঁচার মানে খুঁজে পেয়ছি,ফিরে পেয়েছি পুরনো ভালোবাসা কে। যে ভালোবাসা আমার সন্তানের রঙে রঞ্জিত। বুকে তুলে নিলাম তাকে। এগিয়ে চললাম নতুন পথে।

নিরুপমা…

অনেক দিন পর নিরুপমা আজ ছাদে এসেছে। গোধূলির কনে দেখা আলোর লালিমা তার মুখমন্ডলে। এই লাল যে তার বড় প্রিয়। বুকের মাঝে জড়িয়ে রাখা লাল খাতা খানি কোলের ওপর রেখে নিরু মাটিতে বসল।


অনিকেতের বাড়ি থেকে চলে আসার সময় থেকে নিরুর প্রাত্যহিক সংগ্রাম, ক্রমে ক্রমে নিজের লেখার মাধ্যমে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা এবং অবশেষে বিশিষ্ট লেখিকা নিরুপমা… (হ্যাঁ, শুধুই নিরুপমা, কোনো পদবী হীন এক নাম, যে নাম নিজ লেখনী শক্তিতে বলীয়ান… )হয়ে ওঠার সঙ্গী তার এই লাল খাতা।

নিরুর লেখনী তার জীবন কে মুক্তির স্বাদ প্রদান করেছে। সন্তান হারা মায়ের যে হাহাকার সমাজ, সংসার কানে তোলেনি…অক্ষর, শব্দ, বাক্যরা নিরুর সেই কষ্টের সাথে একাত্ম হয়ে তাকে স্বান্তনা দিয়েছে, গল্প, কবিতা, উপন্যাসে সজ্জিত হয়ে তার মন ভুলিয়েছে।নিরু তাদের সন্তান স্নেহে লালন, পালন করে চলেছে। পাঠক সমাজে নিরুর গ্রহণযোগ্যতা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তি ঘটেছে রাক্ষুসী, সন্তানখাগী নিরুপমা রায়ের, আত্মপ্রকাশ করেছে স্বনামধন্যা লেখিকা নিরুপমা।

লাল খাতা টি খুলে নিরুপমা নিজের লেখা একটি কবিতা পাঠ করতে শুরু করল…

“ঘুমিয়েছিলাম মনের ঘরে একাকীনি অন্ধকারে…
সময় এসে হানলো আঘাত
বন্ধ দ্বারে, বারে বারে
উঠে দেখি আঁধার মাঝে
শত শত জোনাক জ্বলে
সুপ্ত সকল স্বপন গুলো
আলোর পানে ধেয়ে চলে
বুকের মাঝে খুশির হাওয়া
বাঁচার রসদ খুঁজে পাওয়া
হৃদয় জুড়ে অনুরণন
এগিয়ে যাওয়া, এগিয়ে যাওয়া।”

খাতা টা বন্ধ করে নিরুপমা অস্তগামী সূর্যের পানে চেয়ে ভাবল.. দিনের অবসানেই তো নতুন প্রাতের মুখবন্ধ রচিত হয়, রচিত হয় নতুন কাব্য, নতুন গল্পকথা… রাত, দিনের আবহে চক্রাকারে এগিয়ে চলে সময়। এগিয়ে চলার নামই জীবন… চরৈবেতি.. চরৈবেতি…..

Published by Story And Article

Word Finder

Leave a Reply

%d bloggers like this: