স্ফুলিঙ্গ – ছন্নছাড়া

স্ফুলিঙ্গের থেকে তৈরি হওয়া সামান্য অগ্নিশিখা দাবানল হতে পারে,যা পুড়িয়ে ছারখার করে দিতে পারে সুদূর বিস্তৃত বনরাজি।
হতে পারে সামান্য, তবুও তারে যদি সময়ে না যায় নেভানো, সেও হয়ে উঠতে মারাত্মক ধ্বংসের কারণ।
পাথরের ঠোকাঠুকি, কিংবা মর্মর ডালের ঘষাঘষি
কিংবা সূর্যের প্রখর তেজরশ্মিতে তৈরি সামান্য স্ফুলিঙ্গ ঘটিয়ে দিতে পারে মহাপ্রলয়, শুধুমাত্র সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপের অভাবে।
হয়ত ভাবছ সামান্য তো ধোঁয়া উঠেছে, কি বা হবে?
এই সামান্য ধোঁয়ার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অগ্নি স্ফুলিঙ্গকে অবহেলার জন্য দিতে হতে পারে চরমতম মূল্য!
তার জন্য জানি তুমি প্রস্তুত নও, হবেই বা কেমন করে?তুমি তো নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত, কোথায় কখন কোন স্ফুলিঙ্গ তৈরি হল, তাতে তোমার কি যায় আসে?
যদি কখনও সেই স্ফুলিঙ্গ তীব্র অগ্নিরূপ ধারণ করে তোমায় ঘিরে ধরে, পারবে ত তার লেলিহান আক্রমণ থেকে নিস্তার পেতে?

ভেবে দেখ! এমন যেন না হয় যে, তীব্র আত্ম পরিতুষ্টির জন্য যা কিছু দিয়ে নিজের সুখের প্রাসাদ সাজালে তিল তিল করে, ছোট্ট এক স্ফুলিঙ্গের ছোঁয়া তোমার সুখের সেই প্রাসাদকে না জতুগৃহ করে তোলে সময়ের সাথে!

Biswajit Bose

Leave a Reply