Shamim Ahmed

ছেলেদের নিয়ে তাদের প্রিয় মানুষগুলোর অভিযোগ।
ছেলেটা যখন কলেজ এ পড়ে তখন তার কলেজ ফাঁকি দিয়ে সারাক্ষণ কথা বলার সময় থাকে।
যখন একটু বড় হয় তখন ছেলেটা আরো বেশি প্রেমে গভীর হয় ভালোবাসা গভীর তারপর তাদের বিয়ের চিন্তা ছেলেটার মাথায় তখন চাকরি করতে হবে কারণ বিয়ের অনুষ্ঠান টা তো বড় করে করতে হবে। তাছাড়া বিয়ে গহনা বাড়ী হতে হবে। তখন ছেলেটা আরো ব্যস্ত দিন দিন ব্যস্ততা বাড়তে থাকে আর ছেলে যতটুকু কাজ করা দরকার তারচেয়ে অনেক বেশি করতে থাকে কারণ সপ্নগুলো তো পূরণ করতে হবে।
তখন ছেলে দিন শেষে ক্লান্ত হয়ে প্রিয় মানুষটার সাথে আর আগের মতো কথা না বলাই মানি হচ্ছে ভালোবাসা আর আগের মতো নেই। তারপর
সময় এর মায়াজাল থেকে বের না হতেই শুরু হয় বাস্তবতার মায়াজাল।
বিয়ে হয় তাদের তখন ছেলেটার দায়িত্ব আরো বেশি কারণ ছেলেটার এখন সংসার আছে।
তখন শুরু হয় ছেলের বাবা – মার আবদার নতুন অতিথির মুখ কবে দেখবে তখন ছেলেটার মাথায় থাকে বাচ্চা নেওয়ার আগে তো কিছু টাকা জমাতে হবে। তখন ছেলেটা চিন্তা করে চাকরি করে তো হবে না পাশাপাশি কিছু করতে হবে তখন তার মাথায় হাজারও চিন্তা দিন শেষে ক্লান্ত হয়েও তার রাতের ঘুম নেই কারণ সে কি করবে। তখন ছেলেটা চাকরির পাশাপাশি যখন ব্যবসা করতে চায় তখন তার প্রিয় মানুষটা মনে করে এখন আর তাঁকে হয়তো ভালো লাগে না তাই হয়তো আগের মতো নেই। কিন্তু ছেলেটা যে তাদের জন্যই এইগুলো করছে তা একবারও চিন্তা করে না। তবুও দিন যত যাচ্ছে দায়িত্ব তত বাড়ছে সন্তান জন্ম নিলো নতুন একটা খরচ বাড়লো কিন্তু চাকরির পাশাপাশি ব্যবসাটা কিন্তু বাড়ে নাই। তখন ব্যবসা বড় করার চিন্তা সবার কাছে সাহায্য চাওয়া। তারপর আস্তে আস্তে দিন যত বাড়তে থাকে সন্তান বড় হতে থাকে খরচ ও বাড়তে থাকে। তারপর সন্তানের ও এক অভিযোগ বাবা সময় দেয় না। তারপর নতুন একটি চিন্তা সন্তানকে ভালো কোনো স্কুল বা কলেজ এ পড়াতে হবে। দিন দিন বয়স বাড়তে থাকে তারপর একদিন হঠাৎ বাড়িতে বসে আকাশ দেখা, জানালা দিয়ে শহরটা দেখা তারপর মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া। একদিন হঠাৎ করেই মৃত্যুবরণ করে।
তো আসলেই কি সময় পেয়েছিলো ছেলেটা প্রিয়জনদের না হক নিজেকে দেওয়ার মতো বা বিশ্রাম নেওয়ার মতো।
লেখক – মোঃ শামীম আহমেদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top